Sunday , May 19 2019
Home / Different News / যেভাবে বুঝবেন মেয়েটি কতজন পুরুষের সাথে শারীরিক মিলন করেছে!

যেভাবে বুঝবেন মেয়েটি কতজন পুরুষের সাথে শারীরিক মিলন করেছে!

আমি এটা জানতে চাই, কোন মেডিকেল পরীক্ষা করলে জানা যাবে যে মেয়েটি কতোজন ছেলের সাথে শারীরিক মিলন করছে? ফরেনসিক টেষ্ট এর মাধ্যমে জানা যায় একটি মেয়ে কতজন পুরুষের সাথে মিলন করেছে। ছেলে ও মেয়ের প্রথম শারীরিক

মিলন করার সমই ছেলেটি মেয়ের গোপনাঙ্গ দেখে কিভাবে বুঝবে যে মেয়েটি এটাই প্রথম শারীরিক মিলন করছে, নাকি এর আগেও কারো সাথে করেছে? প্রথম কয়েক বার শারীরিক মিলন করলেউ গোপনাঙ্গের কোন পরিবর্তন হয়না, আর প্রথম শারীরিক মিলনে রক্ত বের না হলেই যে মেয়েটি কুমারি নয় এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। মেয়েদের গোপনাঙ্গ মুখে একটা পাতলা পরদা থাকে,এবং সেটাই হলো সতি পরদা।

এটা অনেক কারনেই ফেটে যেতে পারে যেমন,সাঁতার কাটার সময়,সাইকেল চালানোর সময়,বেশি দৌর ঝাপ করলে ফেটে যায়।তাই রক্ত বের হতেই হবে এমন কোন কথা নেই।

অনেকে মনে করেন প্রথম সহবাস করলে মেয়েদের জনী দ্বার থেকে রক্তপাত না হলে সে ভার্জিন নয়। এ আসলে ঠিক না। কারণ কোন রকম হস্তমৈথুন বা সহবাস করার আগেই একটি মেয়ে ভর্জিনিটি হারাতে পারে। তবে এখন বুঝা যাবে আসলে নারী সহবাসের মাধ্যমে ভার্জিনিটি হারিয়েছে নাকি অন্য কোন স্বাভাবিক কারনে (খেলাধূলা, সাঁতার বা কোন ভারী কাজের মাধ্যমে) হারিয়েছে। কারণ এখন ভার্জিনিটি টেষ্ট করার জন্য আবিষ্কৃত হয়েছে ভার্জিনিটি টেষ্টার। বিয়ের পর স্বামী যেমন স্ত্রীকে মিথ্য দোয়ারোপ করতে পারবে না, তেমনি স্ত্রীও কারো সাথে অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে কৃমারিত্ব হারালেও বুঝা যাবে।

অন্যরা যা পড়ছে…………

প্রস্রাবের সাথে বী র্য বের হলে যা করবেন!

পুরুষের (male)যখন বীর্যপাত ঘটে স্বাভাবিকভাবে সেটা মূত্রনালীদিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে; কিন্তু সেটা না হয়ে বীর্য যদি পেছনের দিক দিয়ে মূত্রথলিতে চলে যায় তাহলে তাকে রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশন বলে। যেভাবে ঘটেস্বাভাবিকভাবে মূত্রথলির স্ফিংটার সঙ্কুচিত হয় এবং শুক্রাণু (sperm) মূত্রনালীতে ধাবিত হয়। রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশনের ক্ষেত্রে এই স্ফিংটার ঠিকমতো কাজ করে না। কারণ এ ধরনের বীর্যপাতের কারণ অটোনমিক স্নায়ুতন্ত্র কিংবা প্রোস্টেট অপারেশনের (operation) জন্য হতে পারে। টিইউআরপি (ট্রান্স ইউরেথ্রাল রিসেকশন অব প্রোস্টেট)-এর একটি সাধারণ জটিলতা হচ্ছে রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশন।

কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশন হয়। এসব ওষুধের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ ওষুধটি হচ্ছে ট্যামসুলোসিন এই ওষুধটি বিভিন্ন কারণে মূত্রপথের মাংসপেশিগুলোকে শিথিল করতে ব্যবহার করা হয়। এসব ওষুধ মূত্রথলির স্ফিংটারকে শিথিল করতে পারে এবং এ কারণে স্ফিংটার পুরোপুরি সঙ্কুচিত হতে ব্যর্থ হয়। অ্যান্টি ডিপ্রেস্ট্যান্ট এবংঅ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধগুলোও এ ধরনের problem তৈরি করে থাকে।

যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের জটিলতা হিসেবে রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশন হতে পারে। ডায়াবেটিসের রোগীরা যদি দীর্ঘ দিন ধরে রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণ না করেন তাহলে এ সমস্যাটি দেখা দেয়। মূত্রথলির স্ফিংটারের স্নায়ু সমস্যার কারণে এটা হয়। রোগ নির্ণয়সাধারণত বীর্যস্খলনের পরপরই প্রস্রাব পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রস্রাবে বীর্য পাওয়া যাবে।

কার্যকর চিকিৎসারেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশনের কারণে বন্ধ্যাত্বঘটতে পারে অর্থাৎ ওই পুরুষের (male) স্ত্রী সন্তান উৎপাদন থেকে বঞ্চিত হন। এ ক্ষেত্রে পুরুষেরশুক্রাণু(sperm) মহিলার যোনিতে পৌঁছতে পারে না। তাই গর্ভসঞ্চার করার জন্য পুরুষটির (male)প্রস্রাব সেনট্রিফিউজড করা হয় এবং শুক্রাণু(sperm) আলাদা করে তা মহিলার মধ্যে প্রবেশ করানো হয়।রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশনের ৪০ শতাংশ পুরুষের (male)ক্ষেত্রে দেখা গেছে, সিউডোইফিড্রিন ব্যবহারে বীর্যস্খলনের গুণগত উন্নতি হয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, এই ওষুধের সাথে পুরুষাঙ্গ (male) শিথিল হওয়ার সম্পর্ক রয়েছে।

যাদের সর্বক্ষণ পুরুষাঙ্গ (male) শক্ত হয়ে থাকে তাদের চিকিৎসার জন্য সিউডোইফিড্রিন ব্যবহার করা হয়। যেসব পুরুষের (male)পুরুষাঙ্গ ঠিকমতো উত্থিত হয় না এবং যেসব পুরুষের (male)রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশন হয় তাদের অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। এ ক্ষেত্রে একসাথে দু’টো ওষুধ দেয়া হয়। যেমন­ সিউডোইফিড্রিন এবং সিলডানাফিল।

প্রথম শারীরিক মিলন এত কষ্টের ছিল যে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই …
দয়া করে আমার নামটা গোপন (secret) রাখবেন। আমাদের সম্পর্ক ৫/৬ বছর হয়েছে। একসময় সে আমাকে ছাড়া কিছু বুঝতনা। সব সময় আমার সাথে কথা না বললে তার চলতই না কিন্তু সে এখন অনেক বদলে গেছে। আমাকে আগের মতো আর সময় দেয় না, কথাও বলে না। প্রায় সবসময় আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে।

এই কয়েক বছরে সে আমার আড়ালে চার-পাঁচটি মেয়ের (girl) সঙ্গে সম্পর্ক (relation) করেছে। আমি তখন কিছু বুঝি নি। পরে আমি বুঝতে পারি যে ও আমাকে ঠকাচ্ছে। এই বিষয় গুলো নিয়ে যখন আমি কথা বলি, তখন সে আমার কাছে মাফ চায়। বলে, আর কখনো এসব করবো না। এভাবে অনেকবার আমি মাফ করে দেই। আমি যখন বাধ্য হয়ে বলি যে সম্পর্কটা (relation) আর রাখবোনা তখন সে খুব কান্নাকাটি করে। কিন্ত কিছুদিন পর থেকে দেখা যায় আবার সেই আগের মতো শুরু করে। মাঝখানে ওর সাথে একটি মেয়েকে (girl) নিয়ে খুব সমস্যা হয় আমাদের মাঝে। ও ফেসবুকের মাধ্যমে একটি মেয়ের (girl) সঙ্গে সম্পর্ক করে।

আমি যখন জানতে পারি তখন বাঁধা দিই। তখন সে আবারও আগের মত আকুতি মিনতি করে এবং বলে যে সে আর ওই মেয়ের (girl) সঙ্গে কথা বলবে না । কিন্ত আমার মনে হয় এখনও ঐ মেয়ের (girl) সাথে তার যোগাযোগ আছে। কারন তার ব্যবহারে আমি বুঝতে পারি এখন সে কথায় কথায় আমাকে খুব গালি দেয়, বকা দেয়। একদিন ইমোশনালি ব্ল্যাকমেইল করে সে আমাকে ওর ফ্লাটে নিয়ে যায়। সে আমাকে অনুরোধ করে শারীরিক সম্পর্ক (relation) করার জন্য। আমি প্রথমে রাজি না হলেও পরে বাধ্য হই। সেই দিন আমাদের শারীরিক সম্পর্ক (relation) হয়। এক পর্যায়ে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই। শারীরিক সম্পর্ক হওয়ার পর তার মাঝে একটা বিশাল পরিবর্তন দেখা দিল। রিতিমতো আমাকে সে এড়িয়ে চলতে লাগল।

ও এখন বলে আমকে আর ওর জীবনে দরকার নেই। নতুন করে কারো সঙ্গে সম্পর্ক (relation) করবে। তাঁকেই বিয়ে করবে। আবার কিছুদিন পর দেখা যায় আমাকে বলে, বিয়ে করলে আমকেই করবে। কিন্তু আমাকে এখন আগের মতো কল, মেসেজ কিংবা সময় দেয় না। আমি ফোন দিলে বকা দেয়। প্রায় মোবইল বন্ধ করে রাখে। অন্যদিকে আমার পরিবারের সবাই আমাকে বিয়ে দিতে চায়। আমি কখনো রাজি হই, আবার কখনো হইনা। আমি ওকে খুব ভালবাসি, তাই আমার জীবনে অন্য কাওকে মানতে পারছি না। একদিকে বাবা-মা অন্যদিকে আমার প্রেমিক। আমি কী করবো বুঝি না। আমার এখন কী করা উচিৎ? ওকে আমি পেলেও কি সুখী হবো?

পরামর্শঃ আপনার চিঠি পড়ে যে কেউই বুঝবে যে, আপনার প্রেমীকের ভালোবাসা আপনি না, আপনার দেহ। সে কেবল শরীরের আনন্দ পাওয়ার জন্য আপনাকে ব্যবহার করছে। ভালো করে খোঁজ নিয়ে দেখুন আগের যে ৫/৬ জন মেয়ে (girl) র সাথে তার রিলেশন ছিল হয়ত তাদের সবার সাথে শারীরিক (relation) সম্পর্ক করেছে। সে কখনোই আপনাকে বিয়ে করবে না। আর বিয়ের কথা বলছে হয়ত আপনাকে হাতে রেখে আপনার শরীরটাকে আর কয়েকবার ভোগ করার জন্য।আর ভুল করে যদি করেও ফেলে, আপনি আজীবন নির্যাতিত হবেন এই ছেলেটির কাছে।

আপনার নিজের জীবন এখন আপনাকেই বাঁচাতে হবে, এই ছেলেটির কাছ থেকে নিজেকে সরিয়ে আনুন। পরিবার কিন্তু কখন কারও খারাপ চায় না। এটা আপনিও ভালো করে জানেন। তাই আপনার উচিত হবে পরিবারের কথা মেনে নেওয়া। একবার তো নিজের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে দেখেছেন আসলে কত বড় ক্ষতি হয়েছে। এখন নিজেকে তার কাছ থেকে গুটিয়ে নিন। এখনো দেরি হয়নি তার সাথে আপনি সব সম্পর্ক (relation) ত্যাগ করুন। ভুল করেও তাকে আর একবার পরিক্ষা করতে যাবেন না, তাতে করে হয়তো আপনার বড় কোন বিপদ হতে পারে। আমি শুধু আমার মতামত জানালাম বাঁকি সিদ্ধান্ত আপনার।

পাঠকের মতামত:

Check Also

অবশেষে জানা গেল যে কারনে প্রেমিকের গোপনাঙ্গ কামড়ে দিল প্রেমিকা!

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পরকীয়া প্রেমের জেরে প্রেমিকের গোপনাঙ্গ কামড়ে দিয়েছে প্রেমিকা। আর এর ফলেই প্রাণ হারালেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

[X]